* প্লে থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত (পর্যায়ক্রমে) পাঠদান।
* সর্বোচ্চ মানের সিলেবাসে পাঠদান করা হবে।
* প্রথম শ্রেণি থেকে দুই শিফটে (সকাল ও বিকাল) ক্লাস।
* বালক ও বালিকা পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা।
* পাঠদানে আধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণের ব্যবহার।
* প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান।
* শিক্ষার্থীদের মেধায় কোনরকম চাপ সৃষ্টি না করে পাঠদান।
* অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার পাশাপাশি শ্রেণি অভীক্ষার ব্যবস্থা।
* বছরে অন্ততপক্ষে ৪ (চার) বার অভিভাবকদের নিয়ে পরামর্শ সভা।
* পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত Extra Care এর ব্যবস্থা।
* হাতের লেখা সুন্দর করণে বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা।